বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের প্রিন্সকোর্ট মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রোববার (১০ মে) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে প্রবাসী সাংবাদিকরা হাসপাতালে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে এই স্বস্তিদায়ক খবর জানা যায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও উন্নত চিকিৎসার পর তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং আগের তুলনায় তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন অনেক বেশি স্থিতিশীল।

হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের সার্বক্ষণিক দেখাশোনা করছেন তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ও ভাই মির্জা খোকন। পরিবারের সদস্যরা জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বর্তমানে তাঁকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুনর্বাসন চিকিৎসার আওতায় রাখা হয়েছে। চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং মেডিকেল বোর্ড তাঁর শারীরিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতাজনিত জড়তা কাটাতে চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি এখন প্রতিদিন হুইলচেয়ারে করে হাসপাতালের নিচে কিছুটা সময় চলাফেরাও করছেন বলে জানা গেছে।
আরও
এদিকে, মালয়েশিয়া প্রবাসী শুভাকাঙ্ক্ষী ও দলীয় নেতাকর্মীরা নিয়মিত হাসপাতালে গিয়ে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিকের খোঁজখবর নিচ্ছেন। রোববার তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মালয়েশিয়া বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক কাজী সালাউদ্দিন, মালয়েশিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব হেলাল শিকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম কবির, আল ইমরান এবং যুবদল নেতা ইমন হাসান। তাঁরা মির্জা আব্বাসের শয্যাপাশে কিছু সময় কাটান, চিকিৎসকদের কাছে শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।


পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, দেশ-বিদেশের অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী প্রতিনিয়ত তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন। তাঁর পূর্ণ সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে বিশেষ দোয়া চেয়েছেন তাঁরা। দলের নেতাকর্মীরাও আশা করছেন, দ্রুত সুস্থ হয়ে তিনি আবারও দেশে ফিরে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন। উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করে মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে প্রথমে সিঙ্গাপুরে এবং পরে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য মালয়েশিয়ায় স্থানান্তর করা হয়।



![]jkhgg](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/05/jkhgg.webp)






