ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তায়েজ প্রদেশের একটি বাজারে ভয়াবহ হামলায় শিশুসহ অন্তত ৭ জন নিহত এবং ৪০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল রোববারের এই হামলায় হতাহতের খবরটি নিশ্চিত করেছে হুথি নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে এই হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু কী ছিল, তা নিয়ে বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি দাবি উঠেছে।
ইরান–সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশনের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, তায়েজের মাউইয়া এলাকার একটি বাজারের বাণিজ্যিক দোকানপাট লক্ষ্য করে সৌদি যুদ্ধবিমান থেকে এই হামলা চালানো হয়। ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিও দাবি করেছেন, একই এলাকায় সৌদি জোটের যুদ্ধবিমান পরপর দুটি হামলা চালিয়েছে। হুথি নেতারা এটিকে সরাসরি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর জঘন্য আক্রমণ হিসেবে আখ্যায়িত করে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এই হামলার ভিন্ন কারণ তুলে ধরেছে। সরকারের তিনটি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সম্প্রতি ওই বাজারের কাছাকাছি হুথিরা একটি নতুন সামরিক ক্যাম্প স্থাপন করেছিল। মূলত ওই ক্যাম্প ও হুথিদের কয়েকটি সামরিক যানবাহন লক্ষ্য করেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়।
আরও
হামলার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি দাবির সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীন কোনো সূত্রের মাধ্যমে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে এই হামলার পর থেকে তায়েজসহ ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এমনিতেই সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথি ও সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীর মধ্যে লড়াই আগের চেয়ে অনেকটাই তীব্র রূপ নিয়েছে।










