দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের রিয়াদে কর্মরত ছিলেন মো. রাসেল মিয়া। স্ত্রী-সন্তানদের আবদারে দেশে ফেরার জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের জন্য পছন্দের নানা জিনিসপত্র কেনাকাটাও সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু সেই কেনা উপহারের মালপত্র গোছানোর সময়ই হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রাসেল মিয়া কুমিল্লা সদর উপজেলার বানাশুয়া গ্রামের উত্তরপাড়ার মৃত সুন্দর আলীর ছেলে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। গত শনিবার দুপুরে রিয়াদে তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানাশুয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল হাকিম।
স্বজনেরা জানান, প্রায় ২০ বছরের বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের রাজধানীতে কর্মরত ছিলেন রাসেল মিয়া। মাস সাতেক আগেও একবার ছুটি কাটিয়ে দেশে এসেছিলেন তিনি। এবার পরিবারের টানে আবারও দেশে ফেরার জন্য সবকিছু গুছিয়ে এনেছিলেন। প্রিয়জনদের জন্য কেনা উপহারগুলো আর তাঁর নিজ হাতে বাড়িতে পৌঁছানো হলো না। আকস্মিক এই মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরে কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।










