সৌদি আরবে আবাসিক, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মাত্র এক সপ্তাহে সাড়ে ১৪ হাজারের বেশি প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ৬ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে এসব অবৈধ বাসিন্দাকে আটক করা হয়। একই সময়ে আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রায় ১৩ হাজার অবৈধ প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে এটি সৌদি সরকারের চলমান কঠোর পদক্ষেপের একটি বড় অংশ।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন আবাসিক ও শ্রম আইন অমান্যকারীরা। এছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদিতে প্রবেশের চেষ্টাকালে আরও প্রায় দেড় হাজার জনকে আটক করা হয়, যাদের বড় অংশই ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক। এসব অবৈধ প্রবাসীকে আশ্রয়, যাতায়াত ও কাজের সুযোগ দেওয়ার অপরাধে আরও ২২ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমানে ৩২ হাজারেরও বেশি প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অবৈধ প্রবাসীদের নিজ দেশে ফেরাতে এরই মধ্যে ১৮ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে ভ্রমণ নথির জন্য তাদের নিজ নিজ দূতাবাসে পাঠিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের যেকোনো ধরনের সহায়তা, আশ্রয় বা যাতায়াতের সুবিধা দিলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এমনকি অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন ও বাড়িও বাজেয়াপ্ত করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।










