Long Popup (2)
সর্বশেষ

ওমান উপকূল যেন যুদ্ধক্ষেত্র!

E0d3b88c 03ea 4339 abc0 612bb09ee8ebProbashircityWebPopupUpdate

পারস্য উপসাগর ও সংলগ্ন ওমান উপকূলীয় অঞ্চল যেন এখন এক অঘোষিত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার জেরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর একের পর এক মার্কিন হামলায় পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গত কয়েক দিনে ওমান সাগরে অন্তত তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এসব হামলায় এরই মধ্যে তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। বেসামরিক জলযানে এমন প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় ভারতসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

Lkjhgff

পুরো মধ্যপ্রাচ্য যখন সামরিক উত্তেজনায় কাঁপছে, তখন ব্যতিক্রমী এক শান্ত ও মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে ওমান। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে দেশটি। নিজেদের ভূখণ্ডে কোনো স্থায়ী মার্কিন আক্রমণ ঘাঁটি না থাকায় এবং দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির কারণে ওমান এই সংঘাতের সরাসরি বাইরে থাকতে পেরেছে। তবে সাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কঠোর অবরোধ এবং মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ওমানের উপকূলবর্তী আন্তর্জাতিক জলসীমা এখন আক্ষরিক অর্থেই এক ভয়ানক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, ইরান থেকে তেল পরিবহনের চেষ্টাকালে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অমান্য করায় জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। সবশেষ ওমান সাগরে ‘এমটি জলবীর’ নামের একটি গিনি-বিসাউয়ের পতাকাবাহী তেল ট্যাংকারে মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে দুটি নিখুঁত লক্ষ্যভেদী হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এর আগে একইভাবে ‘এমটি মারিভেক্স’ ও ‘এমটি সেত্তেবেলো’ নামের আরও দুটি জাহাজ মার্কিন হামলার শিকার হয়। সেত্তেবেলো জাহাজে হামলার ঘটনাতেই ওই তিন ভারতীয় নাবিকের প্রাণহানি ঘটে। হামলার পরপরই জাহাজে আগুন ধরে গেলে ওমানি কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর দ্রুত উদ্ধার অভিযানের ফলে অনেক নাবিককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে শিনাস ও খাসাবের বন্দরগুলোতে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুনProbashircityWebPopupUpdate