ইয়েমেনের তাইজ, আল-হুদায়দাহ, আল-জাওফ ও মারিব গভর্নরেটের বিভিন্ন কৌশলগত এলাকা লক্ষ্য করে অন্তত ৪০টি বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। হুথিদের পরিচালিত সাবা নিউজ এজেন্সি ও সংবাদমাধ্যম আল মাসিরা জানিয়েছে, আল-সালিফ, আল-তুহায়তা জেলা, কামারান দ্বীপের পাশাপাশি আল-হাজম, আল-ঘায়েল ও আল-জুবা এলাকায় এই তীব্র বোমাবর্ষণ চালানো হয়। তবে এই সামরিক অভিযানের বিষয়ে সৌদি জোটের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত মঙ্গলবার সৌদি আরবের খামিস মুশাইত শহরের একটি বিমানঘাঁটি ও তেল অবকাঠামোয় হুতিদের মারাত্মক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৭৩ জন আহত হন। ইরানি মদদপুষ্ট এই গোষ্ঠীর ধারাবাহিক হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় হুতিদের লাগাম টানতে ইরানকে কঠোর বার্তা দিয়েছে পাকিস্তান। পাশাপাশি, সৌদি আরবের নিরাপত্তা রক্ষা ও আঞ্চলিক উত্তেজনা রোধে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোট’ কার্যকর করা হতে পারে বলে ইসলামাবাদ থেকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বন্দর অবরোধের মার্কিন চাপ এড়াতে তেহরান হুতিদের দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রক্সি হামলা পরিচালনা করাচ্ছে। তবে এই কৌশল উল্টো হিতে বিপরীত হয়ে আমেরিকার মিত্র দেশগুলোকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসছে। এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে সংঘাতের মাত্রা প্রশমিত করতে কাতার পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সামগ্রিক এই ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইয়েমেনে সৌদি জোটের বিমান হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।










