করেছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। গতকাল শুক্রবার তিন দেশের শীর্ষ নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে সই করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে নতুন এই সামরিক জোট ও চুক্তির খবর জানানো হয়েছে।
নতুন এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, চুক্তিবদ্ধ তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে সম্মিলিতভাবে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ, জোটের কোনো একটি দেশ বহিঃশত্রু কর্তৃক আক্রান্ত হলে বাকি দুই দেশও সেটিকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখবে এবং পারস্পরিক সুরক্ষায় কাজ করবে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সামরিক উত্তেজনা নিয়ে কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তেহরান নতুন করে কোনো যুদ্ধ চায় না বা অন্য কোনো দেশের ভূখণ্ডও দখল করতে চায় না। তবে কোনো ধরনের অন্যায্য চাপ বা জবরদস্তির কাছে ইরান কখনোই নতি স্বীকার করবে না বলে তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।
আরও
অন্যদিকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক অবরোধও অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত ১৪ জুলাই অবরোধ পুনরায় শুরুর পর থেকে তারা অন্তত ৫১টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে। এ ছাড়া দুটি জাহাজের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং আরও দুটি জাহাজে উঠে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তবে এই উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে নতুন একটি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।










