তুরস্ক ইসরাইলের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। পাশাপাশি ইসরাইলি কিছু ফ্লাইটের জন্য আকাশসীমা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। শুক্রবার জাতীয় সংসদে ভাষণকালে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এ ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী জানান, তুরস্কের বন্দরগুলোতে কোনো ইসরাইলি জাহাজ ভিড়তে পারবে না এবং তুরস্কের পতাকাবাহী জাহাজগুলোও ইসরায়েলি বন্দরে প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া অস্ত্র বা গোলাবারুদ বহনকারী জাহাজ ও বিমানকেও প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।
এক কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞা মূলত সরকারি ইসরাইলি ফ্লাইট বা অস্ত্র ও গোলাবারুদ বহনকারী বিমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ বাণিজ্যিক ফ্লাইট এতে অন্তর্ভুক্ত নয়। তুর্কি বন্দর কর্তৃপক্ষ অনানুষ্ঠানিকভাবে শিপিং এজেন্টদের নিশ্চয়তা নিচ্ছে যে কোনো জাহাজ ইসরাইলের সঙ্গে যুক্ত নয় এবং সামরিক বা বিপজ্জনক মালামাল বহন করছে না।
আরও
ইসরায়েলি হামলার পর গাজায় দুই দেশের সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তুরস্ক ইসরায়েলকে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে, যদিও ইসরায়েল এটি অস্বীকার করেছে। এর আগে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘গাজার কসাই’ বলে অভিহিত করেছিলেন এবং তার অপরাধকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।
২০২৩ সালে তুরস্ক ইসরাইল থেকে রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে এবং ২০২৪ সালে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।










