সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য বিশেষ ধরনের ‘মনোনয়নভিত্তিক গোল্ডেন ভিসা’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাধারণত এই ধরনের ভিসা পেতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন হলেও, নতুন এই ব্যবস্থায় তুলনামূলকভাবে কম খরচেই মিলবে দীর্ঘমেয়াদি আবাসনের সুযোগ। এ উদ্যোগকে ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এক ‘সুবর্ণ সুযোগ’ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআই জানায়, আগে দুবাইয়ের গোল্ডেন ভিসা পেতে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা বা অন্তত ২ মিলিয়ন দিরহাম (প্রায় ৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা) মূল্যের সম্পত্তি কেনার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু নতুন নীতিমালায় মনোনয়নভিত্তিক এই ভিসা পেতে খরচ হবে মাত্র ১ লাখ দিরহাম (প্রায় ৩৩ লাখ টাকা)। রায়াদ গ্রুপ নামের একটি কনসালটেন্সি সংস্থাকে প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রায়াদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায়াদ কামাল আইয়ুব জানান, আগামী তিন মাসে প্রায় ৫ হাজার ভারতীয় নাগরিক এই ভিসার জন্য আবেদন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই প্রকল্প সফল হলে ইউএই’র অন্যান্য সিইপিএভুক্ত দেশগুলোতেও এটি চালু করা হবে।
আরও
আবেদনকারীদের ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাইয়ের মাধ্যমে তাদের আইনগত ও সামাজিক রেকর্ড, এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও পর্যালোচনা করা হবে। লক্ষ্য হচ্ছে— আবেদনকারীরা আরব আমিরাতের অর্থনীতি, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, ব্যবসা এবং অন্যান্য খাতে কীভাবে অবদান রাখতে পারেন, তা নির্ধারণ করা।
এই মনোনয়নভিত্তিক ভিসা একবার অনুমোদন পেলে তা স্থায়ী হবে এবং এটি সম্পত্তিভিত্তিক গোল্ডেন ভিসার মতো বাতিল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে না। ভিসাধারীরা তাদের পরিবারকে সঙ্গে নিতে পারবেন এবং গৃহকর্মী ও ড্রাইভার নিয়োগ করতে পারবেন। আবেদনকারীরা তাদের নিজ দেশের ওয়ান ভাস্কো সেন্টার, রায়াদ গ্রুপের অফিস, অনলাইন পোর্টাল বা কল সেন্টারের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে পারবেন।











