সর্বশেষ

বাংলাদেশিকে ৩ টুকরো করে ময়লার ভাগাড়ে ফেলে দিলেন কফিল

Untitled design original 1758346Probashir city Popup 19 03

“আমার ছেলের লাশ ফেরত চাই, ওকে ছাড়া আমি কীভাবে বাঁচব”— বুক চাপড়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ইরাক প্রবাসী নিহত আজাদ খানের অসহায় মা। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে জীবিকার সন্ধানে বিদেশে যাওয়া এ প্রবাসীকে শেষ পর্যন্ত লাশ হয়ে ফিরতে হলো। পরিবারের একমাত্র ভরসা হারিয়ে শোকের ছায়ায় নিমজ্জিত গোটা গ্রাম।

Kafil cut bangladeshi into 3 pieces and threw them in the garbage dump

 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের হোসেন মন্ডলপাড়া গ্রামের ইয়াজ উদ্দিনের ছেলে আজাদ খান (৪৭)। পরিবার জানিয়েছে, ধারদেনা করে মাত্র তিন মাস আগে তিনি ইরাকে গিয়েছিলেন। এক সপ্তাহ আগে বাগদাদ থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে খবর আসে, তাকে হত্যা করে মরদেহ তিন টুকরো করে বস্তায় ভরে ময়লার ভাগাড়ে ফেলে রাখা হয়। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দুর্গন্ধ টের পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেন।

নিহতের স্ত্রী ময়না বেগম অভিযোগ করেন, স্থানীয় দালাল বাবুলের মাধ্যমে স্বামীকে ইরাকে পাঠানো হয়েছিল। তবে প্রতিশ্রুত কাজ না দিয়ে অন্যত্র কাজে লাগানো হয়। পরে কফিল (মালিক) তাকে বাড়ির কাজ করতে বাধ্য করেন। তিনি হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

ইরাক প্রবাসী বাবুল জানান, আজাদকে প্রথমে এক দোকানে কাজে দেওয়া হলেও পছন্দ না হওয়ায় পরে দোকানমালিকের কফিল তাকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে কাজ করাতেন। সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ইরাকের বাংলাদেশ দূতাবাসে অভিযোগ জানানো হয়েছে এবং দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে।

নিহতের শ্যালক জহরুল হক বাপ্পি জানান, বর্তমানে আজাদের মরদেহ ইরাকের একটি মর্গে রাখা আছে। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর কফিলকে কাজুমিয়া আদালতে তোলা হবে। একই সঙ্গে মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

Probashir city Popup 19 03
Probashir city Squre Popup 19 03