ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের লাগাতার হামলায় চরম চাপের মুখে থাকা সৌদি আরবকে ইসরায়েল সহায়তা করছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রিয়াদ যখন মিত্রদের কাছে সহায়তা চাইছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়াদ ইসরায়েলের কাছ থেকে এ ধরনের সহায়তা গ্রহণে আগ্রহী হওয়া উচিত কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, তারা তা করবে। ইসরায়েল সৌদি আরবকে অনেক সহায়তা করেছে। হ্যাঁ, তারা অবশ্যই তা করবে।’ তবে হুতিদের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ের ক্ষেত্রেই ইসরায়েল সৌদি আরবকে সরাসরি সামরিক বা কৌশলগত সহায়তা করেছে কি না, ট্রাম্পের বক্তব্যে তা পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি।
উল্লেখ্য, ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নতুন করে তীব্র হওয়ার পর থেকে ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে বারবার হামলা চালিয়ে আসছে। লোহিত সাগরে চলাচলকারী তেলের ট্যাংকার, জ্বালানি স্থাপনা এবং রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। গত সপ্তাহেই রিয়াদ বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে চালানো এক প্রাণঘাতী হামলায় ১৩ জন নিহত হন। এর মধ্যেই শুক্রবারও হুতিদের ছোড়া আরও বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি আরব।
আরও
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সামরিক সমর্থন দিয়ে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চিরবৈরী হিসেবে পরিচিত সৌদি আরব ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য গোপন সহযোগিতার বিষয়টি নতুন করে সামনে এলেও, কোনো দেশের পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।








