ইরান সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে ইতিহাসের ‘কঠোরতম নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য ইরান সরকারকে অর্থনৈতিকভাবে ‘ধসিয়ে দেওয়া’। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ কথা জানিয়ে চীনসহ অন্যান্য মিত্র দেশগুলোকেও এই প্রচেষ্টায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। নতুন এই নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধের মাধ্যমে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ আরও বাড়ানোর পথে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রাসী উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছে চীন। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ প্রচেষ্টার সমালোচনা করে বলা হয়েছে, নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে চলমান বিরোধের কোনো সমাধান হবে না। অন্যদিকে, মার্কিন এই হুমকিকে ‘অবৈধ ও অমানবিক’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দুই দেশের এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে।
নিষেধাজ্ঞার হুমকির মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ জোরদার করার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। মার্কিন বাহিনী ইতিমধ্যে ইরানের বন্দরগামী বা সেখান থেকে আসা অন্তত ৬৭টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে। এছাড়া তিনটি জাহাজ অচল করে দেওয়া এবং আরও দুটিতে উঠে তল্লাশি চালানোর কথাও নিশ্চিত করেছে তারা।











