Opens in a new tab
সর্বশেষ

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল গুপ্তধন, মিলল ১২০ কোটি টাকার সোনার ভাণ্ডার

Lng (7) originalWeb Popup (3)

বেলজিয়ামে পয়োনিষ্কাশনের পাইপ বসানোর জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে প্রায় ১২০ কোটি টাকা (৯০ লাখ ইউরো) মূল্যের এক বিশাল সোনার ভান্ডারের সন্ধান পেয়েছেন ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। কোবে নামের ওই তরুণ গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। গত মঙ্গলবার দেশটির সিন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমন্ড এলাকায় একটি পুরোনো মদ কারখানার জায়গায় মাটি খোঁড়ার সময় আকস্মিকভাবেই এই বিপুল পরিমাণ গুপ্তধন তাঁদের নজরে আসে। প্রথমে ধাতব কিছু একটা দেখে এক ইউরোর মুদ্রা ভাবলেও পরে আস্ত সোনার বার দেখতে পেয়ে তাঁরা বুঝতে পারেন যে বিশাল কোনো সম্পদের খোঁজ পেয়েছেন।

ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ভ্যান ল্যাঙ্গেনহোভেসত্রাত এলাকার ওই পুরোনো মদ কারখানার একটি ভবনের বেজমেন্টে ইটের দেয়ালের ভেতর সোনাগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। মুদ্রা, সোনার টুকরো ও নম্বরযুক্ত সোনার বারগুলো কয়েকটি ব্যাগে ভরা ছিল। জানা গেছে, ভবনটি উনিশ শতকের শেষ দিকে কারখানার মালিক থিওফিলাস ভ্যান আসের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে সামাজিক কল্যাণ সংস্থা ‘সিএডব্লিউ উস্ট-ফ্ল্যান্ডার্ন’ ভবনটি সংস্কার করে নতুন কার্যালয় ও আবাসন তৈরির কাজ করছে। আর সেখানেই সংস্কারকাজের অংশ হিসেবে মাটি খুঁড়তে গিয়ে এই বিপুল সম্পদের খোঁজ মেলে।

বিপুল এই সম্পদ পাওয়ার পর কোবে ও তাঁর সহকর্মীরা বিষয়টি গোপন না করে সততার সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান। এরপর বিস্তারিত তদন্তের স্বার্থে সোনাগুলো ব্রাসেলসের একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই সম্পদ চুরি করা কি না বা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অর্থের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্সের সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়। তবে এই গুপ্তধনের প্রকৃত মালিকানা নিয়ে এখন জটিল আইনি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমান মালিক, ওই সম্পত্তিতে কাজ করা শ্রমিক এবং পুরোনো মালিকের উত্তরাধিকারীরা এর সম্ভাব্য দাবিদার হতে পারেন।

বেলজিয়ামের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, গুপ্তধনের বৈধ মালিককে তা দাবি করার জন্য অন্তত পাঁচ বছর সময় দিতে হয়। এই সময়ের মধ্যে কেউ বৈধ মালিকানা দাবি না করলে আইন অনুযায়ী স্বর্ণগুলোর পরবর্তী ভাগ্য নির্ধারণ করা হবে। বিপুল এই সম্পদ পাওয়ার পর তরুণ শিক্ষার্থী কোবে জানান, এত বড় সম্পদ নিজেদের কাছে লুকিয়ে রাখা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। কয়েকটি মুদ্রা হলে হয়তো বিষয়টি ভিন্ন হতো, কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়াই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে সততার পুরস্কার হিসেবে শেষ পর্যন্ত তাঁরা হয়তো বিশেষ কোনো স্বীকৃতি পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

Web Popup (3)
Web Squre popup