মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই বাহরাইনে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) ছয়টি দেশের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে বৃহৎ সামরিক মহড়া। যুদ্ধের সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই মহড়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। আজ বুধবার (২৯ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বাহরাইনের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, গত ২৮ জুলাই শুরু হওয়া ‘বাহরাইন শিল্ড’ নামের এই মহড়া চলবে আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত। দেশটির চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধিয়াব বিন সাকর আল-নুয়াইমি জানান, এই মহড়ার মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধের প্রস্তুতি বৃদ্ধি, উন্নত অভিযানের কৌশল আয়ত্ত করা এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় আরও জোরদার করা। জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সশস্ত্র বাহিনীর এই অংশগ্রহণ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী যৌথ উপসাগরীয় সামরিক বাহিনীর সক্ষমতারই সুস্পষ্ট প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল আল-নুয়াইমি আরও বলেন, এই সামরিক মহড়া সংহতির জন্য একটি শক্তিশালী কৌশলগত ভিত্তি তৈরি করবে এবং যেকোনো সম্ভাব্য আক্রমণের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলার সক্ষমতাকে আরও সুসংহত করবে। তাঁর মতে, ওই অঞ্চলে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক সহিংসতা ও হামলাগুলো যৌথ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তাকেই সামনে এনেছে।
আরও
এর আগে বাহরাইনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, এই মহড়ার প্রধান উদ্দেশ্য হলো উপসাগরীয় অঞ্চলে যৌথ সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো, বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের জ্ঞান বিনিময় এবং বিদ্যমান যৌথ সামরিক ব্যবস্থাগুলোর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা। উল্লেখ্য, জিসিসির অন্তর্ভুক্ত ছয়টি সদস্য রাষ্ট্র হলো—বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান ও কাতার।











