উড্ডয়নের ঠিক আগমুহূর্তে জাপানে একটি ফ্লাইটে এক যাত্রীর স্মার্টফোনে আকস্মিক আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে বিমান ক্রুদের ত্বরিত পদক্ষেপে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং বিমানে থাকা যাত্রীরা বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। আজ সোমবার (২২ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৮ জুন টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে টোকিও থেকে লন্ডনগামী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে এ ঘটনা ঘটে। জাপানের পরিবহন মন্ত্রণালয় ও টোকিও ফায়ার ডিপার্টমেন্টের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে বিমানটি উড্ডয়নের জন্য রানওয়েতে প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ বিমানের কেবিনে ধোঁয়া দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ক্রুরা কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেন এবং দ্রুত বিমানের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। পরবর্তী সময়ে ঘটনাটি নিয়ে তদন্তে দেখা যায়, বিমানের এক যাত্রীর ব্যাগে রাখা একটি স্মার্টফোন থেকেই ওই আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।
এই ঘটনার পর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) বিমানটিকে রানওয়ে থেকে পুনরায় পার্কিংয়ে ফিরিয়ে আনে। এরপর দমকলকর্মী ও জরুরি বিভাগের কর্মীরা বিমানের ভেতরে তল্লাশি চালান এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। জাপানের কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে ওই ফ্লাইটে মোট ২১১ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন এবং তাঁদের সবাই সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন। সব ধরনের নিরাপত্তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিমানটি প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বের পর পুনরায় তার গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
আরও
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তাই আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। শেষ পর্যন্ত ফ্লাইটটি নিরাপদে পরিচালিত হয়েছে এবং যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবেই বিমান থেকে নামতে পেরেছেন।’ উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহের মধ্যে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে স্মার্টফোনে আগুন লাগার এটি দ্বিতীয় ঘটনা। এর মাত্র কয়েক দিন আগে লন্ডন থেকে লাস ভেগাসগামী একটি ফ্লাইটে মাঝ আকাশে এক যাত্রীর ফোনে আগুন ধরে কেবিনের ভেতরের একটি অংশ কিছুটা পুড়ে গিয়েছিল, যার ফলে বিমানটি জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে উড়োজাহাজে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিজনিত আগুনের এ










