ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্ভাব্য আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা শুরু করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, সংঘাত আরও তীব্র হলে এবং আমিরাতের অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হলে সম্ভাব্য সহায়তা কাঠামো কী হতে পারে, তা নিয়েই মূলত এই আলোচনা চলছে।
এই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে আমিরাতের সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নর খালেদ মোহাম্মদ বালামারের কারেন্সি সোয়াপ লাইনের প্রস্তাব। ফেডারেল রিজার্ভ ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার সময় তিনি এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তবে এটিকে এখনো আনুষ্ঠানিক কিছু নয়, বরং প্রাথমিক পর্যায়ের পরিকল্পনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আমিরাতি কর্মকর্তারা মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে জানান, এখন পর্যন্ত দেশটি সংঘাতের সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক প্রভাব এড়াতে সক্ষম হলেও পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার ঝুঁকি রয়ে গেছে। সে ক্ষেত্রে সম্ভাব্য আর্থিক সহায়তা হঠাৎ সৃষ্ট ধাক্কা সামাল দিতোয়ক হতে পারে।
আরও
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাত ইতোমধ্যে আমিরাতের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতি এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় দেশটির ডলার আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এর আগে ফুজাইরাহর শাসক শেখ হামাদ বিন মোহাম্মদ আল শারকির সাথে সাক্ষাৎ করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ইস্যু পর্যালোচনার পাশাপাশি জনকল্যাণকে আমিরাতের নীতিনির্ধারণ ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কেন্দ্রে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। সফরের অংশ হিসেবে দুই নেতা ফুজাইরাহ বন্দর পরিদর্শন করেন এবং বন্দরে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ও উচ্চমাত্রার পরিচালন দক্ষতা বজায় রাখতে নেওয়া পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করেন।








