দেশে প্রবাসী আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অর্থনীতির জন্য নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক সংবাদ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের প্রথম ১১ দিনেই ১২১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে গত তিন দিনে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আসার বিষয়টি বেশ আশাব্যঞ্জক।
চলতি অর্থবছরের সার্বিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১ জুলাই থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় দুই হাজার ৭৪২ কোটি ৭০ লাখ ডলারের এই প্রাপ্তি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকা হিসেবে বিবেচনা করলে এই আয়ের পরিমাণ স্থানীয় মুদ্রায় বিশাল এক অংকের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।
প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে অর্থবছরের শেষে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। মূলত ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুবিধা এবং বিনিময় হার কিছুটা সমন্বয় করার কারণেই প্রবাসীরা বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।











