শ্রীলঙ্কা উপকূলে সাবমেরিন হামলায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবে যাওয়ার পর একই অঞ্চলে চরম বিপদে পড়েছে দেশটির আরেকটি যুদ্ধজাহাজ। কারিগরি ত্রুটির মুখে পড়া ওই জাহাজটি রক্ষায় শ্রীলঙ্কার কাছে জরুরি সাহায্য চেয়েছে তেহরান। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কা উপকূলে থাকা ইরানি নৌবহরের ওই যুদ্ধজাহাজটিতে ইঞ্জিন সমস্যা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জাহাজটি নিকটবর্তী বন্দরে ভেড়ানোর অনুমতি চেয়েছে। তবে শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ এখনো এই অনুরোধ মঞ্জুর করেনি, তারা পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আলজাজিরা জানিয়েছে, ভারতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক নৌ মহড়া শেষে ইরানি নৌযানের এই বহরটি দেশে ফিরছিল। এর মধ্যেই ‘আইরিস দেনা’ নামের বহরের একটি যুদ্ধজাহাজ মার্কিন হামলায় ডুবে যায়।
এ বিষয়ে শ্রীলঙ্কার গণমাধ্যমমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার ঘটনার সার্বিক দিক সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত রয়েছে। প্রাণহানি এড়ানো ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
আরও
অন্যদিকে, ইরানের ছোড়া ড্রোনের আঘাতে কুয়েতের একটি তেলের ট্যাংকারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সেটি সাগরে ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তাবিষয়ক সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে কুয়েত উপকূলে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ইউকেএমটিও-এর দেওয়া তথ্যমতে, ড্রোন হামলায় ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায় এবং একপর্যায়ে সেটি সাগরে ডুবে যায়। এতে ট্যাংকার থেকে বিপুল পরিমাণ তেল সাগরে ছড়িয়ে পড়ছে, যা বড় ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয়ের শঙ্কা তৈরি করেছে। তবে জাহাজটি ডুবে গেলেও এর সব ক্রু নিরাপদে আছেন বলে জানা গেছে। ড্রোন হামলার কারণেই এই অগ্নিকাণ্ড ওডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, এমন যথেষ্ট প্রমাণ হাতে থাকার কথাও জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের এই সংস্থাটি।








![Hgxzjop[]](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/06/hgxzjop.webp)


