প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে, শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্র-যুব আন্দোলন মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও ধরপাকড়ের পর আন্দোলন আরও বেগ পায়। পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় যুব-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছে।
সংঘর্ষে বহু আন্দোলনকারী আহত হন ও শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এরপর মুম্বাই, বেঙ্গালুরু ও গোয়ায় সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা দিল্লির আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে রাস্তায় নামেন। একই দিনে হায়দরাবাদ, ইন্দোর, দেরাদুন ও লাদাখে বিক্ষোভ ও সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বাইরে লন্ডন ও আরও কয়েকটি শহরে ভারতীয় শিক্ষার্থী ও প্রবাসীরাও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান।
আন্দোলনের জেরে বুধবার ভারতের সংসদের অধিবেশনও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে কৌতূহল জাগছে- দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কী ক্ষমতা ছেড়ে পালাতে চলেছেন? যদিও বৃহস্পতিবার সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং তা হবে দ্রুত বিচার আদালতে। তবে তাতে খুব একটা কাজ হবে বলে মনে হচ্ছে না, কারণ বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও নরেন্দ্র মোদিকেও ক্ষমা চাইতে বলছেন।










