ঢাকা-বান্দুরা আঞ্চলিক সড়কে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে বাস থামিয়ে যাত্রীর কাছ থেকে ৪৭ লাখ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় একজনকে আটক করে গণপিটুনির পর পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
ঢাকার তাঁতী বাজারে স্বর্ণ বিক্রি করে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে নবকলি পরিবহনের একটি বাসে বান্দুরা ফিরছিলেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী রামপ্রসাদ।
নবাবগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর জানান, বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ওই সড়কের মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের মরিচা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আরও
ভুক্তভোগী যাত্রী রামপ্রসাদ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ এলাকার বান্দুরা বাজারের রামপ্রসাদ অলংকার বিতানের স্বত্বাধিকারী।
স্বর্ণ ব্যবসায়ী রামপ্রসাদ সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার ঢাকার তাঁতী বাজারে স্বর্ণ বিক্রি করে তিনি ৪৭ লাখ টাকা পান। সেই টাকা এবং তিন ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে বিকালে নবকলি পরিবহনের একটি বাসে তিনি বান্দুরা ফিরছিলেন।
পথে বাসটি মরিচা এলাকায় পৌছালে তিনটি মোটরসাইকেলে করে ছয়জন এসে বাসটির গতিরোধ করে। তারা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে আমাকে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে নামায়।
তারা আমার কাছে থাকা টাকা ও স্বর্ণের ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতা একজনকে আটক করতে পারলেও বাকিরা পালিয়ে যায়।
পরে আটককৃত ব্যক্তিকে বেদম পিটুনি দিয়ে বান্দুরা বাজারে নিয়ে এসে সন্ধ্যায় পুলিশে সোর্পদ করে জনতা।
পরিদর্শক আজগর বলেন, এ ঘটনায় জনতা একজনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। চিকিৎসার জন্য তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানাধীন হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান থানার ওসি খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, “এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে খবর নিয়ে দেখছি।











