মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও নেই—এমনকি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন মিটার খুলে নিয়ে যাওয়ার পরও আগস্ট মাসে ৬৯২ টাকার বিল হাতে পেয়েছেন জামালপুরের মাদারগঞ্জের এক গ্রাহক। উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকারের সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাটি এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। গত ২৫ আগস্ট তিনি এই বিলের কাগজ হাতে পান।
ভুক্তভোগী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তাঁর বাড়িতে আগে পাঁচটি মিটার থাকলেও সেখান থেকে একটি মিটার খুলে বাড়ির পাশের একটি মন্দিরের জন্য বাণিজ্যিক মিটারের আবেদন করা হয়েছিল। পরে জুলাই মাসের কোনো এক সময়ে গাছের ডাল ভেঙে ওই মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের কর্মচারীরা মিটারটি সম্পূর্ণ খুলে নিয়ে যান। মিটার ছাড়াই আগস্ট মাসের বিল আসার বিষয়ে তিনি চরম বিস্ময় প্রকাশ করে জানান, বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেই কীভাবে এই বিল এল তা তাঁর বোধগম্য নয়।
এ বিষয়ে তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান দাবি করেন, গ্রাহক নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিলটি করা হয়েছে, তবে এটি মূলত একটি ভুল ছিল। অন্যদিকে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন জানান, খালি স্থানটিতে আগে আবাসিক মিটার থাকলেও বাণিজ্যিক মিটারের আবেদন করার কারণে আগের আবাসিক হিসাব থেকেই আগস্ট মাসের বিলটি চলে এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে তদন্ত দল পাঠানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের গাফিলতি প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










