প্রবাসীদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে স্বজনদের অন্তহীন ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিশেষ করে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিথর দেহ দেশে আনার প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দীর্ঘ ও জটিল। প্রিয়জন হারানোর বেদনার পাশাপাশি শোকাহত পরিবারগুলোর জন্য মরদেহ ফিরে পাওয়ার এই অপেক্ষা যেন এক নতুন সংগ্রামে রূপ নেয়।
প্রতিবছর শত শত প্রবাসীর মরদেহ দেশে পাঠানো হলেও এর পেছনের প্রশাসনিক ধাপগুলো মোটেও সহজ নয়। হাসপাতাল থেকে মৃত্যু সনদ, পুলিশের রিপোর্ট, ছাড়পত্র এবং দূতাবাসের অনুমতিসহ আনুষঙ্গিক নথিপত্র জোগাড় করতেই পেরিয়ে যায় কয়েক সপ্তাহ, কখনো বা লেগে যায় পুরো এক মাস। এসব জটিল আনুষ্ঠানিকতা ও আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা সম্পন্ন করতে গিয়ে পদে পদে বাড়ে ভোগান্তি।
এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় অনেক সময় সংশ্লিষ্ট নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুটা সহায়তা করলেও, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে মৃত ব্যক্তির সহকর্মী বা আত্মীয়দের কাঁধে। বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে কিছু সহায়তা দেওয়া হলেও বাস্তবে কাগজপত্র সংগ্রহ ও আর্থিক চাপ সামলাতে দৌড়ঝাঁপ করতে হয় সাধারণ প্রবাসীদেরই। ফলে শেষ বিদায়ের এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পথটি হয়ে ওঠে আরও কণ্টকাকীর্ণ।
আরও










