ঘন কুয়াশার কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একাধিক ফ্লাইটের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দীর্ঘ ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খাবার না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা একপর্যায়ে বিক্ষোভে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় বিমানবন্দরের অপেক্ষাকক্ষের কিছু চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে দিল্লি, মাস্কাট ও কুয়েত থেকে আগত তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চট্টগ্রামে অবতরণ করে। এসব ফ্লাইটে এক হাজারেরও বেশি যাত্রী ছিলেন। তাদের একটি বড় অংশের গন্তব্য ছিল ঢাকা। তবে কুয়াশাজনিত কারণে নির্ধারিত সময়ে ঢাকাগামী ফ্লাইট চালু না হওয়ায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে হয়।
অভিযোগ উঠেছে, এই দীর্ঘ অপেক্ষাকালে যাত্রীদের জন্য কোনো ধরনের খাবার বা পর্যাপ্ত সেবার ব্যবস্থা করেনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সকাল ও বিকেলের দিকে ফ্লাইটগুলো ঢাকায় পাঠানো হলেও এর আগে যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছে। খাবার না পাওয়ায় যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমান কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ জানান।
আরও
ক্ষুব্ধ যাত্রীরা একপর্যায়ে বিমানবন্দরের ভেতরে বিক্ষোভ শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভের সময় অপেক্ষাকক্ষের কিছু চেয়ার ভাঙচুর হয়, এতে বিমানবন্দরের সম্পত্তির ক্ষতি হয়। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল বলেন, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা ও খাবারের ব্যবস্থা না থাকায় যাত্রীরা অধৈর্য হয়ে পড়েন। বিক্ষোভের সময় কিছু আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।








