কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার হস্তক্ষেপে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের পর জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার একটি ঘটনায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যায়, বজলু মিয়া নামে ওই নেতা এবং ইউপি সদস্য প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার শিকার গৃহবধূ হলো রতন মিয়ার স্ত্রী। স্থানীয় যুবদল সভাপতি বিল্লাল মিয়ার সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা বজলু মিয়ার নেতৃত্বে সালিশ বৈঠক বসে, যেখানে তিনি গৃহবধূকে মারধর করেন এবং পরে যুবদল নেতার সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেন। ভিডিওতে শুধু বজলু মিয়াকে নির্যাতন করতে দেখা যায়; যুবদল নেতার ওপর কোনো আক্রমণ দেখা যায়নি।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রবাসীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী হলেও তাকে লোমহর্ষকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। এছাড়াও, যুবদল নেতা বিল্লাল ইতিমধ্যেই বিবাহিত এবং তার চার মেয়ে রয়েছে। দুটি পরিবারের ভাঙনের পেছনে এই ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতাকে দায়ী করে স্থানীয়রা বিচার দাবি করেছেন।
আরও
চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান, ঘটনার ভিডিও পুলিশ নজরে পেয়েছে এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তদন্ত শুরু করা হয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।











