পাবনার সাথিয়া উপজেলার খেতুপাড়া গ্রামে এক কায়েমি ঘটনার তদন্ত চলছে — স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি স্বপন প্রামাণিক নিহত অবস্থায় পাওয়া গেছেন। পুলিশের কাছে লাশ পাওয়ার পরবর্তী প্রাথমিক তদন্তে পরকীয়ার জেরে পরিকল্পিত হত্যার আভাস পাওয়া গেছে বলে নিহতের পরিবার দাবি করেছে। ঘটনায় এলাকায় সন্ত্রাস ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
পরিবারণ থেকে জানা যায়, নিহত স্বপন দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাসীর স্ত্রী রত্না বেগমের সঙ্গে গোপন সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। পরিবার বলছে, রত্নার কাছে নিয়মিত অর্থ ও সময় দেওয়ার ফলে স্বপনের ঘরসংসারে কষ্ট বেড়িয়েছিল; তার স্ত্রী মায়া খাতুনের মধ্যে রাগ ও উদ্বেগ বাড়ে। পুলিশি সূত্রে জানা যায়, বাড়ি না ফেরায় ঘরের তল্লাশিতে খাটের নিচ থেকে স্বপনের দেহ উদ্ধার করা হয় এবং দেহে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
রত্না দাবি করেছেন, স্বপন তাঁর ঘরে এসে আত্মহত্যা করেছেন; তবে নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশীরা বলছেন এটি হত্যা এবং ঘটনায় পরিকল্পনা নিযুক্ত ছিল। স্বপনের ভাই অভিযোগ করে বলেছেন, রত্নার ডাকে স্বপন বাড়ি গেলে তিনি হত্যা করে লাশ লুকিয়ে রেখেছেন বলেই তাদের সন্দেহ। অন্যদিকে পুলিশ ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে তদন্তের ধারা নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছে।
আরও
স্থানীয়রা ঘটনার তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ ও সাক্ষীদের বক্তব্য সংগ্রহ করেছে; ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট পেলেই কাতারভুক্ত মামলা রূপ নেওয়া হবে বলে স্থানীয় কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে।












