সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশ ফেরত যাত্রীদের হয়রানির অভিযোগে অভিযান চালিয়ে চারজনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবারের অভিযানে প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে গত দুই সপ্তাহে আরও পাঁচজনকে আটক করে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দরে কর্মরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমদাদুল হক শরীফ জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ ফেরত যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা দাবি এবং নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। লোডারের পরিচয় ব্যবহার করে একটি চক্র যাত্রীদের লাগেজ গাড়িতে তুলতে সহযোগিতা করার পর জোরপূর্বক টাকা আদায় করত। এ কারণে বিমানবন্দরের ক্যানোপি ও পার্কিং এলাকায় নিয়মিত অভিযান শুরু করা হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, যাত্রীদের লাগেজ গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিতে “মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিস” নামে অনুমোদিত দুটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তবে যেসব যাত্রী এ সেবা গ্রহণ করেন না, তাদের টার্গেট করে কয়েকজন ব্যক্তি লোডারের পরিচয়ে এগিয়ে আসে এবং লাগেজ গাড়িতে তোলার পর অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে। টাকা না দিলে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয় যাত্রীদের। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৪০–৫০ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।
আরও
এ বিষয়ে বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমদ বলেন, যাত্রী হয়রানি বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার চারজনকে জরিমানা করা হয়েছে। গত দুই সপ্তাহে অন্তত পাঁচজনকে আটক করে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিমানবন্দরকে যাত্রীবান্ধব করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।










