ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে ফাঁদে ফেলে প্রায় ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত বদিউল আলম তুহিন সরকার (৩৭) দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে এই অপকর্মে জড়িত ছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দিবাগত রাতে কুমিল্লা সদর থানার হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তুহিনকে আটক করা হয়। শুক্রবার (১৩ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তুহিন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘোড়াশাল গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারীর গুনবহা ইউনিয়নের এক প্রবাসীর স্ত্রীর মোবাইল ফোন থেকে পারিবারিকভাবে পরিচিত এক নারী তার ব্যক্তিগত ভিডিও সংগ্রহ করে। পরে ভিডিওটি সুপার এডিট করে অশ্লীল কনটেন্টে রূপান্তর করা হয় এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে একাধিক দফায় ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মোট ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।
আরও
ঘটনার পর, ভুক্তভোগী নারী গত বছরের ২২ ডিসেম্বর বোয়ালমারী থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত অন্যরা হলেন—সেলিম খান ওরফে সুমন শিকদার ও তার স্ত্রী ফারজানা বেগম, মুজাহিদ, তানিয়া খানম এবং কাকলী বেগম।
তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক শামীম দেওয়ান জানান, ছয় মাস ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালানো হয়। ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত তুহিন এই প্রতারণা চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থগ্রহণে সরাসরি জড়িত।











