সর্বশেষ

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ভয়ংকর ৩ পদ্ধতির অনুমোদন

12 20260425ProbashircityWebPopupUpdate

প্রাণঘাতী ইনজেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় মার্কিন ফেডারেল অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নতুন তিনটি বিকল্প পদ্ধতির পরিকল্পনা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখন থেকে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ফায়ারিং স্কোয়াড, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে এবং বিষাক্ত গ্যাসের মাধ্যমে শ্বাসরোধ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

মূলত দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ফেডারেল পর্যায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের যে প্রতিশ্রুতি ট্রাম্প দিয়েছিলেন, এই উদ্যোগ তারই একটি বড় অংশ। মার্কিন বিচার বিভাগের এক বিশেষ প্রতিবেদনে পদ্ধতি পরিবর্তনের এই সুপারিশ করা হয়েছে। এর আগে, ২০২১ সালে নিজের প্রথম মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে ২০ বছরের বিরতি ভেঙে ফেডারেল পর্যায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর পুনরায় চালু করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সে সময় মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে ১৩ জন ফেডারেল বন্দীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল, যা গত ৫০ বছরের মার্কিন ইতিহাসে ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও নজিরবিহীন ঘটনা।

গত বছর দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউসে ফেরার পরপরই পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আরোপিত ফেডারেল মৃত্যুদণ্ডের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানা যায়, বর্তমানে মার্কিন বিচার বিভাগ দেশজুড়ে ৪০ জনের বেশি আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন নিয়ে কাজ করছে। যদিও এই মামলাগুলোর বিচারপ্রক্রিয়া এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি, তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন আইনি জটিলতা ও দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার কারণে এসব মামলার চূড়ান্ত রায় আসতে বেশ কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।

সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত ৫২ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদনে বর্তমান পরিস্থিতির বিস্তারিত চিত্র উঠে এসেছে। ওই প্রতিবেদনের ভূমিকায় যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ উল্লেখ করেছেন যে, পূর্ববর্তী প্রশাসনের দেওয়া স্থগিতাদেশ ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড ব্যবস্থাকে অনেকাংশেই দুর্বল করে দিয়েছিল। তাঁর মতে, এর ফলে ভুক্তভোগীদের পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায় ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং পুরো জাতিকে এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

ProbashircityWebPopupUpdate
ProbashircityWebBannerUpdate