বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের শেষ সময় ছিল ৩১ মে। সরকারি হিসেবে শেষ সময় দেশটিতে যেতে পারেনি ১৬ হাজার ৯৯০ কর্মী। এসব কর্মীদের অনেকের ই-ভিসা, কলিং ও বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স হলেও যেতে পারেনি উড়োজাহাজের টিকেটের অভাবে। অনেকের আবার ই-ভিসা, কলিং হলেও পাননি বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স।
গেল রবিবার (২ জুন) বিকেলে এইসব কর্মীদের সমস্যা সমাধানে করণীয় সম্পর্কে জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অতিরিক্ত সচিব (কর্মসংস্থান) নূর মো. মাহবুবুল হককে প্রধান করে রবিবার ৬ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতেও কাজ করবে এই কমিটি।
আরও
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে এক গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, যেসব কর্মীরা মালয়েশিয়ায় যেতে পারেনি তারা এই তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগ করতে পারবেন। সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার বেশি নেওয়া হলে তা জানাতে পারবেন কর্মী।
অভিযোগ জানাতে যা করতে হবে:
মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীরা প্রয়োজনীয় তথ্যাদিসহ ই-মেইল, হোয়াটসঅ্যাপ অথবা ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন।
অভিযোগ জানাতে যা লাগবে:
অভিযোগকারীর নাম, পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, রিক্রুটিং এজেন্সির নাম, পাসপোর্ট নম্বর, বিএমইটি’র স্মার্ট কার্ডের কপি এবং অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
অভিযোগ জানানোর ই-মেইল ও মোবাইল নাম্বার:
ই-মেইল enquiry.committee.malaysia@gmail.com
মোবাইল নম্বর: ০১৯২৪-২৭৭০৮৩, ০১৭১৫-২২৮৩০৭












