ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা সম্প্রসারণ করছে সৌদি আরব। মার্কিন গবেষকদের বিশ্লেষিত স্যাটেলাইট চিত্র থেকে জানা গেছে, দেশটি এখন আরও বড় ও শক্তিশালী কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পথে হাঁটছে। এর মাধ্যমে তারা বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে এবং অধিক ওজনের বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম হবে।

মূলত ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে এবং সামরিক ক্ষেত্রে বিদেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে রিয়াদ। পাশাপাশি ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান সংঘাতে নিজেদের সামরিক অবস্থান আরও শক্ত করতে চাইছে তারা। তবে এই পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
আরও
মার্কিন গবেষকদের মতে, রিয়াদ থেকে দূরে অবস্থিত ‘আল-দাওয়াদিমি’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কমপ্লেক্সে নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিধিনিষেধ থাকায় সৌদি আরব এখন চীনের প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করছে। এখান থেকে তারা ভবিষ্যতে এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারে, যা যুদ্ধবিমান ছাড়াই সরাসরি তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।
সূত্র : রয়টার্স








