পারস্পরিক সামরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কুয়েত ও পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে এই আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম কুয়েত টাইমস এ খবর নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তান সফররত কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ আলি আবদুল্লাহ আল-সালেম আল-সাবাহ এবং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠকের সময় দুই নেতা পারস্পরিক সম্পর্ক পর্যালোচনার পাশাপাশি সামরিক খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। কুয়েতের বিবৃতিতে এই চুক্তিটিকে দুই দেশের সামরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, কর্মপরিধি সমন্বয় এবং পারস্পরিক প্রস্তুতি বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে, যা পারস্পরিক স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কুয়েতের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল খালিদ আল শারিয়ান এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত কুয়েতের রাষ্ট্রদূত নাসের আবদুল রহমান আল-মুতাইরি উপস্থিত ছিলেন।
আরও
এর আগে গত ৭ আগস্ট পবিত্র মক্কা নগরীতে তুরস্ক ও সৌদি আরবের সঙ্গে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে স্বাক্ষর করেছিল পাকিস্তান। সামরিক ও ভূরাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ওই চুক্তি অনুযায়ী, এই তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা জোটের সব কটি দেশের ওপরই আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যৌথভাবে সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।











