নির্মাণ, কৃষি ও হালাল কারখানাসহ বিভিন্ন খাতের শ্রমিক সংকট কাটাতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে থাইল্যান্ড। কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পঞ্চম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে যুক্ত করতে চায় থাই সরকার। আজ বুধবার ঢাকায় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে থাইল্যান্ডের শ্রমবিষয়ক সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটির এক প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এই আগ্রহের কথা জানানো হয়।

বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কর্মসংস্থানের এই নতুন সুযোগকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী নৈতিক ও দায়িত্বশীল নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, কর্মী নিয়োগের প্রাথমিক ব্যয় নিয়োগকর্তাকে বহন করতে হবে। পাশাপাশি কর্মীদের ন্যায্য মজুরি, আবাসন ও চিকিৎসা বিমার মতো সুরক্ষাও নিশ্চিত করা জরুরি। এ সময় প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক সরকারি সংস্থা বোয়েসেলের মাধ্যমে দক্ষ কর্মী নেওয়ার জন্য থাই প্রতিনিধিদলের প্রতি আহ্বান জানান। মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ জানান, থাইল্যান্ডের চাহিদানুযায়ী ‘ব্লু কলার’ ও ‘হোয়াইট কলার’—উভয় পেশারই উপযুক্ত জনশক্তি বাংলাদেশে রয়েছে।
আরও
বৈঠকে থাই প্রতিনিধিদলের চেয়ারম্যান নিতরুত্তি সুথিনন জানান, কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনার কারণে সেখান থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ থাকায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসার মেয়াদ শেষে অবস্থান, থাইল্যান্ডকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার এবং মানব পাচার নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেন থাই প্রতিনিধিরা। এসব শঙ্কা দ্রুত নিরসন করে অচিরেই দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।









