টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় প্রবাসী স্বামীকে রেখে কথিত প্রেমিকের হাত ধরে এক গৃহবধূর পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ওই গৃহবধূ যাওয়ার সময় শ্বশুরবাড়ির জমানো নগদ টাকা ও মূল্যবান স্বর্ণালংকারও সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। গত ১ মে (শুক্রবার) উপজেলার সরাগী গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূ নিখোঁজ হওয়ার পর এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে প্রবাসীর স্ত্রীর এমন পলায়নের কাণ্ডে ওই এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন নিখোঁজ গৃহবধূ সাদিয়ার শাশুড়ি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে ব্যস্ত ছিলেন। ঠিক এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে সাদিয়া ঘরে থাকা নগদ টাকা ও বেশ কিছু মূল্যবান স্বর্ণালংকার নিয়ে বাড়ি থেকে নীরবে বের হয়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ফিরে তাঁকে দেখতে না পেয়ে আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি।
পারিবারিক তথ্যমতে, নিখোঁজ গৃহবধূ সাদিয়ার বাবার নাম সাইফুল ইসলাম। তাঁর বাবার বাড়ি একই উপজেলার বলধী সাভার গ্রামে। প্রায় দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে সরাগী গ্রামের ওই যুবকের সঙ্গে সাদিয়ার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে স্বামী প্রবাসে পাড়ি জমালে সাদিয়া শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। কিন্তু স্বামীর দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে তিনি গোপনে অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে পরিবারের লোকজনের ধারণা।
আরও
এই পলায়নের ঘটনায় রাকিব নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছে গৃহবধূর স্বামীর পরিবার। অভিযুক্ত রাকিবের বাবার নাম বাবর আলী এবং তাঁর বাড়ি নিকরাইল ডাকঘর এলাকায় বলে জানা গেছে। স্বামীর পরিবারের সদস্যদের দাবি, বিয়ের আগে থেকেই রাকিবের সঙ্গে সাদিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি সুযোগ বুঝে সেই প্রেমিকের সঙ্গেই পালিয়ে গেছেন। বর্তমানে নিখোঁজ গৃহবধূকে ফিরে পেতে এবং খোয়া যাওয়া টাকা ও গয়না উদ্ধারে পরিবারের পক্ষ থেকে জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।









