ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী রত্নাকে (১৮) অনলাইন প্রেমের সম্পর্ক ও বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পরিকল্পিতভাবে ভারতে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ২৩ দিন আগে কলেজে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সে আর ফিরে আসেনি। নিখোঁজের পর রত্নার মা মামলা দায়ের করলে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, পাচারকারী চক্র বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা ব্যবহার করে সিলেট সীমান্ত দিয়ে তাকে ভারতে নিয়ে গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৭ বছর আগে রত্নার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়। এরপর রত্নার মা আর বিয়ে করেননি এবং একমাত্র মেয়েকে কেন্দ্র করেই তার জীবন আবর্তিত হয়েছে। মেয়ের হঠাৎ নিখোঁজ হওয়া ও পাচারের খবর পেয়ে তিনি ভেঙে পড়েছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার মেয়েকে শুধু ফিরে চাই। ও বলেছিল ১২ দিনের ট্রেনিং দেবে, তারপর নাকি ভালো চাকরি হবে। এখন আমার মেয়ে ছাড়া কীভাবে বাঁচব?”
আরও
রত্নার নানীও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, সহজ-সরল। আমার নাতনিটা কি কখনো ফিরবে? দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই। যেন আর কোনো মেয়ের সঙ্গে এমন সর্বনাশ না হয়।”
তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাচারকারী চক্রটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে অনলাইনে রত্নার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে। পরে তাকে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখানো হয়। গ্রেপ্তার আসামির ভাষ্যমতে, চক্রটি ভুয়া পরিচয়ে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা তৈরি করে তাকে সীমান্ত পার করিয়েছে। ফলে বৈধ নথি ব্যবহারের কারণে রত্নাকে শনাক্ত ও উদ্ধার করাও কঠিন হয়ে উঠছে।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান জানান, মানব পাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, “যত দ্রুত সম্ভব মেয়েটিকে তার











