ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং তার স্ত্রী ব্রিজিত ম্যাক্রোঁর মধ্যকার একটি অস্বাভাবিক ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সফরের অংশ হিসেবে ভিয়েতনাম পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে প্রকাশ্যে ধাক্কা দেন তার স্ত্রী। এ দৃশ্য বার্তা সংস্থা এপির ক্যামেরায় ধারণ হওয়ায় দ্রুত তা ভাইরাল হয়ে পড়ে।
ভিয়েতনামের বিমানবন্দরে অবতরণের পর ম্যাক্রোঁর বিমান থেকে নামার প্রস্তুতির মুহূর্তে ঘটে ঘটনাটি। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিমানের দরজা খোলার পর ব্রিজিত হঠাৎ করেই দুই হাত দিয়ে স্বামীর মুখে সজোরে ধাক্কা দেন। এতে কিছুটা বিব্রত হলেও ম্যাক্রোঁ দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেন এবং উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হাসিমুখে হাত নাড়েন।
পরবর্তী সময়ে ম্যাক্রোঁ ও তার স্ত্রী একসঙ্গে বিমানের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামলেও অন্যান্য সময়ের মতো হাতে হাত রেখে নামতে দেখা যায়নি তাদের। ব্রিজিতের মুখের অভিব্যক্তিও স্পষ্ট ছিল না, কারণ তিনি বিমানের ভেতরেই ছিলেন বেশ কিছুক্ষণ।
আরও
A video has emerged of President Macron getting slapped in the face by his wife as he was about to disembark the presidential plane in Vietnam.
His office initially denied the incident, before changing tunes and calling it “playful teasing” 🇫🇷 pic.twitter.com/QWj2Ons4eI
— Visegrád 24 (@visegrad24) May 26, 2025
এই ঘটনার ভিডিও এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা। বিশেষ করে ম্যাক্রোঁর রাজনৈতিক বিরোধীরা ভিডিওটি ঘনঘন শেয়ার করে তীব্র সমালোচনা শুরু করেন। শুরুতে প্রেসিডেন্টের দপ্তর ঘটনাটিকে এডিটেড ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করলেও পরবর্তীতে নিশ্চিত হয় যে ধাক্কার ঘটনাটি সত্য।
পরে ম্যাক্রোঁর ঘনিষ্ঠ একজন সহযোগী জানান, এটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একটি স্বাভাবিক ‘তর্ক’ ছিল, এতে আহত হওয়ার মতো কিছু ঘটেনি। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী একজন কর্মকর্তা এটিকে ‘মজার ছলে করা আচরণ’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তবে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে বিতর্ক থামেনি।











