আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুর খবর সম্প্রতি ইন্টারনেটে একটি ভিডিওর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
‘ওবায়দুল কাদের মারা গেছেন’ শিরোনামে টিকটকে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে দাবি করা হয়, তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ভিডিওটি প্রায় ৮ লাখ বার দেখা হয়েছে।
তবে, বাংলাদেশের তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘রিউমর স্ক্যানার’ এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ ধরনের খবরকে মিথ্যা বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভিডিওটি পুরোনো একটি ঘটনা নিয়ে তৈরি, যা ২০২১ সালে ওবায়দুল কাদেরের অসুস্থতা সংক্রান্ত ছিল। ওই সময় তিনি বুকে ব্যথা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন, কিন্তু তার মৃত্যুর খবর মিথ্যা।
তথ্য যাচাইয়ে দেখা যায়, ২০২১ সালের ১৪ ডিসেম্বর, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘সময় টিভি’র ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের অংশের সঙ্গে এই ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়। ভিডিওটি সঠিকভাবে সম্পাদনা করে মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয়েছে, যেখানে উল্লেখ করা হয় ‘মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর’। তবে, মূল প্রতিবেদনে কোথাও ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুর উল্লেখ নেই।
আরও
এছাড়া, আগেও এমন গুজব ছড়ানো হলে রিউমর স্ক্যানার ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করেছিল।
অতএব, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা।












