দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়াসহ বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মানবিক সংগঠন ‘চট্টগ্রাম সমিতি ওমান’। বন্যাকবলিত এসব এলাকার অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে সংগঠনটি। প্রতিটি পরিবারের জন্য অন্তত চার থেকে পাঁচ দিনের খাবার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
ত্রাণসামগ্রীর প্রতিটি ব্যাগে মোট ১১টি নিত্যপ্রয়োজনীয় আইটেম সরবরাহ করা হয়েছে। চরম সংকটে থাকা মানুষ যেন প্রাথমিক প্রয়োজন মেটাতে পারেন, সেই দিকটি বিবেচনায় রেখে প্যাকেজে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল, চিড়া, চিনি, লবণ, খাওয়ার স্যালাইন, মোমবাতি ও লাইটার দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরী সিআইপি জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি ওমানপ্রবাসী বাংলাদেশিদের যেকোনো বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করছে। প্রবাসীদের মৃতদেহ দেশে পাঠানো থেকে শুরু করে অসুস্থদের চিকিৎসায় আর্থিক অনুদান দেওয়াসহ নানা মানবিক উদ্যোগে সংগঠনটি প্রবাসীদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। তিনি বলেন, দল, মত, ধর্ম, বর্ণ ও আঞ্চলিকতার ঊর্ধ্বে উঠে সব বাংলাদেশির কল্যাণে তাঁরা কাজ করছেন। দেশের যেকোনো দুর্যোগেও তাঁরা এগিয়ে আসেন। অতীতে সিলেট, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, মিরসরাই ও বান্দরবানের বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোতেও সংগঠনটির পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনেও প্রবাসীদের নিয়ে এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আরও
দক্ষিণ চট্টগ্রামে এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সংগঠনের সদস্যরা সরাসরি উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় মোরশেদ আলম সিআইপি, আশরাফুর রহমান সিআইপি, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, নুরুল ইসলাম নুরু, হাফেজ ইদ্রিস সিআইপি, আবদুল মান্নান সিআইপি (কিং জালান), মো. মান্নান সিআইপি, আবু নাছের রিয়াদ সিআইপি, সারওয়ার আলম, রফিকুল আলম, আবদুল খালেক বাবলু, নুরুল আমিন চৌধুরী, আইয়ুব খান, হাসানুল হক, জাফর ইকবাল, জানে আলম ও লিটনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।










