Long Popup (2)
সর্বশেষ

ঢাকায় কোন হাজীর লাগেজ কাটা হয়নি, সৌদি কর্তৃপক্ষ কাটতে পারে: বিমান

2026 06 03a n17804938231318ProbashircityWebPopupUpdate

সৌদি আরব থেকে হজ শেষে দেশে ফেরা যাত্রীদের লাগেজ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাটা হয়নি বলে দাবি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটির মতে, নিয়ম ভেঙে লাগেজে জমজমের পানি ও তরল প্রসাধনী বহনের কারণে সৌদি আরবের বিমানবন্দরে তল্লাশির সময় সেগুলো কাটা হয়ে থাকতে পারে। গতকাল বুধবার বিমানের এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শাহনূর আহমাদ স্বাক্ষরিত এক অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ভোরে ৪১৯ জন যাত্রী নিয়ে বিমানের একটি বিশেষ হজ ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মোস্তফা কামাল পলাশ নামের এক ব্যক্তির আইডি থেকে দাবি করা হয়, ওই ফ্লাইটে আসা প্রায় ১৫০ জন হাজির লাগেজ কেটে মালপত্র চুরি করা হয়েছে। বিষয়টি বিমান ও দেশের প্রধান বিমানবন্দরের ভাবমূর্তির সঙ্গে জড়িত থাকায় কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক নির্দেশে তদন্ত শুরু করে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং টিম। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্লাইটটি অবতরণের পর রাত ৩টা ৫ মিনিটে প্রথম ব্যাগ এবং ৩টা ৫১ মিনিটে ফ্লাইটের মোট ৮৩৬টি ব্যাগের সব কটি ডেলিভারি বেল্টে দেওয়া হয়। উড়োজাহাজ থেকে কনটেইনার ও ট্রলি-ডলির মাধ্যমে লাগেজগুলো যখন ব্যাগেজ ডেলিভারি এলাকায় আনা হয়, তখন পুরো পথটি নিরাপত্তাকর্মী এবং এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ নজরদারিতে ছিল।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, উড়োজাহাজ থেকে ব্যাগ নামানোর সময় গ্রাউন্ড স্টাফদের গায়ে থাকা ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ এবং সোর্টিং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। ফুটেজে আগে থেকেই ২১টি ব্যাগ ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়ার প্রমাণ মিলেছে। তবে ফেসবুকে ১৫০ যাত্রীর লাগেজ কাটার যে দাবি করা হয়েছে, তার পক্ষে কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ বা অভিযোগ পায়নি বিমান। সংস্থাটির দাবি, প্রকৃতপক্ষে ৮৩৬টি ব্যাগের মধ্যে মাত্র পাঁচ থেকে ছয়জন যাত্রী তাঁদের ব্যাগ ছেঁড়া বা কাটা অবস্থায় পেয়েছেন বলে কর্তব্যরত কর্মীদের কাছে মৌখিকভাবে জানিয়েছিলেন।

ভুক্তভোগী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে বিমান কর্তৃপক্ষ জানতে পেরেছে, ক্ষতিগ্রস্ত ওই লাগেজগুলোর ভেতরে জমজমের পানি, শ্যাম্পু, লোশন ও খেজুর ছিল। সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী লাগেজে জমজমের পানি এবং যথাযথ সিলগালা ছাড়া তরল প্রসাধনী বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সে কারণেই স্ক্যানিংয়ে এসব বস্তুর উপস্থিতি পেয়ে সৌদি বিমানবন্দরে লাগেজগুলো কাটা হতে পারে। যাত্রীদের ব্যাগ থেকে মূল্যবান কোনো সামগ্রী খোয়া যায়নি দাবি করে বিমান জানিয়েছে, একজন যাত্রী মানিব্যাগ হারানোর কথা মৌখিকভাবে জানালেও আন্তর্জাতিক অ্যাভিয়েশন বিধিমালা অনুযায়ী বুকিং লাগেজে ঘোষণা (ডিক্লারেশন) ছাড়া টাকা বা মানিব্যাগ রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুনProbashircityWebPopupUpdate