২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার নতুন দীর্ঘমেয়াদি তিন চুক্তির আওতায় ১৫ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা। এই চুক্তিতে অংশ নিয়েছে কাতারের কাতার ট্রেডিং এলএলসি, ওমানের ওকিউ ট্রেডিং এবং মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মোট ১১৫ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এর মধ্যে ৮২ কার্গো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এবং ৩৩ কার্গো স্পট মার্কেট থেকে কেনা হবে। নতুন চুক্তির আওতায় কাতার থেকে ৬ কার্গো, ওমান থেকে ২ কার্গো এবং মার্কিন কোম্পানি থেকে ৭ কার্গো এলএনজি আনা হবে।
কাতার থেকে প্রতিটি এমএমবিটিইউ এলএনজির খরচ ধরা হয়েছে ৯.৮৬ মার্কিন ডলার, ওমান থেকে ১০.৪৪ মার্কিন ডলার, আর মার্কিন কোম্পানি থেকে ১০.২৪ মার্কিন ডলার। মার্কিন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিটি পূর্ববর্তী সরকারের সময় স্বাক্ষরিত হলেও বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে এটি বাতিল করেনি।
আরও
পুরোনো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার ও ওমান থেকে মোট ৫১ কার্গো এলএনজি আমদানি হবে। এছাড়া স্বল্পমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে আরও ১৬ কার্গো এলএনজি আনা হবে। প্রতিটি এমএমবিটিইউ-এর খরচ ৯.২৫ থেকে ১৩.৭০ মার্কিন ডলারের মধ্যে ধরা হয়েছে।
এছাড়া দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণের জন্য স্পট মার্কেট থেকে ৩৩ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা। স্পট মার্কেট থেকে আনা প্রতিটি এমএমবিটিইউ-এর গড় খরচ ১৪ মার্কিন ডলার, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।











