সৌদি আরবে ঘুষ গ্রহণ, সরকারি পদের অপব্যবহার, জালিয়াতি এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের মতো গুরুতর অভিযোগে সরকারি ও বেসরকারি খাতের ১২৭ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ‘নাজাহা’। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত এক মাসে ১,৫৪৩টি ঝটিকা অভিযানের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পৌর ও আবাসন মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে কর্মরত ছিলেন। সংস্থাটি মোট ৩৮৩ জন কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে, যাদের মধ্যে কেউ কেউ বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য ঘটনার মধ্যে পিআইএফ অনুমোদিত একটি প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ডিরেক্টর এবং কয়েকজন ব্যবসায়ীকে ২.১৭৫ মিলিয়ন রিয়াল লেনদেনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য একটি ঘটনায়, ৩৮৪ মিলিয়ন রিয়ালের প্রকল্প পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ১০ মিলিয়ন রিয়াল ঘুষ চুক্তির দায়ে স্বাস্থ্য দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তাকে আটক করা হয়।
আরও
এছাড়া পুলিশ স্টেশনে কর্মরত এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং একজন সৈন্যের বিরুদ্ধে যথাক্রমে ২.১৬ মিলিয়ন এবং ১.৪ মিলিয়ন রিয়াল চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে। আর সিভিল স্ট্যাটাস অফিসের তিন কর্মচারী অবৈধভাবে জন্ম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু করার জন্য ৮.৫ লাখ রিয়াল ঘুষ নেওয়ার অপরাধে ধরা পড়েছেন। এছাড়া গবাদি পশুর ভরতুকি পেতে ভুয়া তথ্য দিয়ে ফাইল খোলার দায়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মচারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নাজাহ স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, দুর্নীতি প্রতিরোধে তারা “শূন্য সহনশীলতা” নীতি বজায় রাখবে। সরকারি তহবিল বা পদের অপব্যবহারকারী ব্যক্তি যদি অবসরেও চলে যান, তবুও তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।











