সৌদি আরবের জিসান শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার প্রবাসী যুবক ওমর ফারুক (৩৭)। বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ৮টার দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবারের স্বপ্ন বাস্তবায়নে চার বছর আগে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
নিহত ওমর ফারুক কটিয়াদীর মসূয়া ইউনিয়নের বেতাল গ্রামের মৃত আবু তাহেরের ছেলে। স্থানীয় যুবদল সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম জহির জানান, জিসানে আল মারাই কোম্পানিতে চাকরিরত ফারুক অফিস থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। রাস্তা পারাপারের সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতির একটি কাভার্ডভ্যান তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ওমর ফারুকের মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক। তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তানকে রেখে গেছেন। তার ছোট মেয়ের বয়স মাত্র আট মাস, আর বড় সন্তানটিও অল্প বয়সী। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে পরিবারটি।
আরও
নিহতের সহকর্মী, স্বজন ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ওমর ফারুক ছিলেন দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী মানুষ। সৌদিতে তিনি নিয়মিত কাজ করতেন এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য সংগ্রাম করছিলেন। আকস্মিক মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ওমর ফারুকের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার ও স্থানীয়রা। তারা বলেন, প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করা মানুষের মৃত্যুর পর যেন তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত হয়—এটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা।











