মরুভূমির দেশ ওমানে একই সঙ্গে দেখা মিলেছে দুই রূপের আবহাওয়ার। দেশের এক প্রান্তে যখন প্রচণ্ড দাবদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত, তখন অন্য প্রান্তে বইছে শীতল হাওয়া। আবহাওয়া কেন্দ্রগুলোর সবশেষ পরিসংখ্যানে প্রকৃতির এই বৈচিত্র্যময় চিত্র উঠে এসেছে। একদিকে পারদ ছুঁয়েছে প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, অন্যদিকে পাহাড়ের চূড়ায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৫ ডিগ্রির ঘরে।
সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশটির বারকা অঞ্চলে রীতিমতো অসহনীয় ও সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বারকার পাশাপাশি আস সুওয়াইক এলাকায় ৪৯ দশমিক ২ ডিগ্রি এবং আল খাবুরা ও কুরিয়াতে ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। প্রায় সব সমতল ও মরু অঞ্চলের এলাকাগুলোতে পারদ ৪৮ থেকে ৪৯ ডিগ্রির ঘরে ওঠানামা করছে।
এই তীব্র গরমের মধ্যেই ওমানের পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। একই সময়ে দেশটির জাবাল শামসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাত্র ১৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জাবাল শামস ছাড়াও কাইরুন হাইরিত্তিতে ২১ দশমিক ৪ ডিগ্রি, সিকে ২১ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং দালকুতে ২১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আল জাজির, মুকশিন এবং শালিম এলাকার তাপমাত্রাও ছিল যথেষ্ট আরামদায়ক।
আরও
একই দেশে আবহাওয়ার এমন অদ্ভুত বৈপরীত্য মূলত ওমানের ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের প্রমাণ। সমতল অঞ্চলগুলো যখন সূর্যের প্রখর তাপে উত্তপ্ত, তখন উচ্চভূমির পাহাড়ি এলাকাগুলো সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের জন্য শীতল আশ্রয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের এই জোড়া পরিসংখ্যান যেন ওমানের প্রকৃতির এক বিস্ময়কর খেয়ালকেই সবার সামনে চমৎকারভাবে তুলে ধরেছে।









