মালয়েশিয়া, ওমান ও বাহরাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী তিন মাসের মধ্যে অন্তত দুই-একটি বন্ধ বাজার চালুর লক্ষ্য নির্ধারণের পাশাপাশি অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং প্রতারক রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর সরকারের এই অগ্রাধিকারের কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী জানান, অভিবাসন ব্যয় নির্দিষ্ট করে দেওয়া, প্রতারণায় জড়িত রিক্রুটিং এজেন্সির নিবন্ধন স্থগিত এবং দীর্ঘদিন বন্ধ বা সীমিত থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালু– এই তিনটিকেই তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হিসেবে নিয়েছে সরকার।
তিনি বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যেই অন্তত দুই–একটি বন্ধ শ্রমবাজার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করে তা কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদেশে মারা যাওয়া শ্রমিকদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনার ব্যবস্থা পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে। এছাড়া ঢাকায় মরদেহ পৌঁছানোর পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানোর জন্য মঙ্গলবার আরও দুটি নতুন লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি যুক্ত হয়েছে।










