ওমানে বসবাসরত দূরদূরান্তের প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য পাসপোর্ট সেবা সহজ করতে ‘ওমান পোস্ট’-এর মাধ্যমে ডেলিভারি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। তবে এ সেবায় সাড়া দেওয়া অনেক প্রবাসীই নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রবাসীরা চাইলে স্বল্প খরচে ওমান পোস্টের নিকটস্থ শাখা থেকে অথবা বাড়িতে ডেলিভারির মাধ্যমে নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারেন। এজন্য নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ দিতে হচ্ছে। দূতাবাসের ফেসবুক পেজে এ–সংক্রান্ত লিংকও দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, সময়মতো পাসপোর্ট না পাওয়া, এমআরপি পাসপোর্টের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি এবং দীর্ঘ অপেক্ষায় অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেছেন।
এদিকে ওমান প্রবাসীরা জানান, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার এখনো বন্ধ রয়েছে। যদিও দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে থাকা কিছু শ্রমিককে সম্প্রতি জরিমানা ছাড়াই বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়েছে ওমান সরকার। একই সঙ্গে যারা দেশে ফিরতে ইচ্ছুক তাদের জন্য আউটপাস সুবিধাও চালু রয়েছে।
আরও
শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে ‘ফ্রি ভিসা’র নামে অতিরিক্ত শ্রমিক পাঠানো এবং এর ফলে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়া অন্যতম কারণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ওমান সরকার দীর্ঘদিন অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ দিলেও নতুন শ্রমিক নিয়োগ এখনো শুরু হয়নি। জনশক্তি ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত মাত্র ৪৩ জন বাংলাদেশি বৈধভাবে ওমানে প্রবেশ করেছেন।
উল্লেখ্য, শ্রমবাজার সংকটে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র সৌদি আরবই বড় পরিসরে বাংলাদেশি শ্রমিক নিচ্ছে। তবে সেখানেও বেতন–ভাতাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নতুন শ্রমবাজার খোলার উদ্যোগে স্বচ্ছতা ও কার্যকর নীতি গ্রহণ না করলে একই পরিস্থিতি আবারও দেখা দিতে পারে।












