মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (১ এপ্রিল) চালানো এই হামলার জন্য ইরানকে সরাসরি দায়ী করেছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ। হামলায় বিমানবন্দরের জ্বালানি ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। একই দিনে প্রতিবেশী দেশ বাহরাইনেও অনুরূপ ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও কুয়েতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এই হামলাকে ‘ভয়াবহ’ বলে আখ্যায়িত করেছে। হামলায় জ্বালানি ট্যাংকগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। কুয়েতের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশনের মুখপাত্র আবদুল্লাহ আল-রাজহি জানান, জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরান ও তাদের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সুনির্দিষ্টভাবে এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
এদিকে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানেও ড্রোন হামলার পর একটি বাণিজ্যিক স্থাপনায় লাগা আগুন নেভাতে কাজ করছেন দমকলকর্মীরা। মূলত যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের জেরে ইরান–সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো একাধিকবার কুয়েতের প্রধান এই বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে। এর আগের হামলাগুলোতে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার পাশাপাশি যাত্রী টার্মিনাল ও রাডার ব্যবস্থার মারাত্মক ক্ষতি হয়েছিল।
আরও
কুয়েত সিটিতে এখন প্রায় প্রতিদিনই যুদ্ধের সতর্কসংকেত বাজছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য একরকম নৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে ধারাবাহিক এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র ও ভয়াবহ রূপ নেওয়ারই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।











