চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০২৬ সালে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে আগামী ১৮–১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে এবং তা মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলতে পারে বলে ধারণা করছেন জ্যোতির্বিদরা। একই হিসাবে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব তারিখ চূড়ান্ত হবে চাঁদ দেখার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে।
সৌদি আরবের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে অধিকাংশ আরব দেশে রোজার সময়কাল তুলনামূলক কম হতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশে গড়ে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টার মতো রোজা রাখতে হতে পারে। পাশাপাশি আবহাওয়া শীতল থাকার সম্ভাবনা থাকায় রমজান সামগ্রিকভাবে স্বস্তিদায়ক হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ১ থেকে ২ মিনিট করে রোজার সময় বাড়তে পারে। ফলে মাসের শেষ ভাগে রোজার দৈর্ঘ্য প্রথম দিকের তুলনায় কিছুটা বেশি হবে। ধারণা অনুযায়ী, প্রথম দিনে রোজার সময়কাল প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের কাছাকাছি থাকতে পারে এবং ধীরে ধীরে তা বেড়ে মাসের শেষে প্রায় ১৩ ঘণ্টায় পৌঁছাতে পারে।
আরও
ভৌগোলিক অবস্থান ও অক্ষাংশভেদে এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের দিনের দৈর্ঘ্যে স্বাভাবিক পার্থক্য থাকে—ফলে রোজার সময়েও কিছুটা তারতম্য দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিষুবরেখার কাছাকাছি দেশগুলোর সঙ্গে উত্তর বা দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর দিন-রাতের ব্যবধান ও আবহাওয়ার পার্থক্য রোজার সময় নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে শহরভেদে সামান্য ভিন্নতা থাকলেও রোজার সময় সাধারণত ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টার মধ্যেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে তারিখ ও সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলে পরবর্তী আপডেট জানানো হবে।











