ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, যুদ্ধ-পরবর্তী গাজায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের কোনো ভূমিকা থাকবে না। সোমবার ইসরায়েলি সংসদ নেসেটে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ অবস্থান তুলে ধরেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
খবরে বলা হয়, গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এই ধাপে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি বহুজাতিক কাঠামো গঠনের কথাও উঠে আসছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকার সম্ভাবনা আলোচিত হচ্ছে।
নেতানিয়াহু নেসেটে বলেন, দ্বিতীয় ধাপের মূল লক্ষ্য হবে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করা এবং গাজাকে ‘ডিমিলিটারাইজড’ বা নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ার আওতায় আনা। তবে এ প্রক্রিয়ায় গঠিত হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে তিনি আপত্তি জানান এবং স্পষ্ট করে দেন—এ দুই দেশের সেনাদের সেখানে থাকতে দেওয়া হবে না।
আরও
প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের মতপার্থক্যের কথাও ইঙ্গিত করেছেন নেতানিয়াহু। তার দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চালানো হবে, যাতে গাজা-পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রতিফলিত হয়।
উল্লেখ্য, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ ঘিরে চলমান আলোচনায় গাজার প্রশাসনিক রূপান্তর, নিরাপত্তা কাঠামো এবং পুনর্গঠন—এই তিনটি বিষয়ই অগ্রাধিকার পাচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাহিনীর গঠন, সদস্য দেশ নির্বাচন এবং দায়িত্বপরিধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।









