শনিবার সকালে গাজার আকাশ ধোঁয়া ও বিস্ফোরণের সঙ্গে ভরে ওঠে, যখন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ বাহিনী একযোগে বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি কমান্ড সেন্টারে হামলা চালায়। হামাসের আল কাসাম ব্রিগেড ও ইসলামিক জিহাদের আল কুদস ব্রিগেড এই সমন্বিত অভিযানের নেতৃত্ব দেয়, সঙ্গে মাঠে নেমেছে ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্টের ওমর আল কাসেম ফোর্স এবং আল আকসা শহীদ ব্রিগেড।
দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আদালত কমপ্লেক্সের কাছে ইসরাইলি কমান্ড পোস্টে মর্টারশেলের আঘাতে আকাশ মুহূর্তেই ধোঁয়া ও আগুনে ভরে ওঠে। একই সময় আল কুদস ব্রিগেড আল জাইতুন এলাকার কমান্ড হেডকোয়ার্টার লক্ষ্য করে তিন দফা বিস্ফোরণ চালায়। উত্তর গাজার জাবালিয়ায় ওমর আল কাসেম ফোর্স স্থানীয় ধ্বংসকৃত ঘর থেকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক দখল করার দাবি করেছে।
আল আকসা শহীদ ব্রিগেড একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে তারা দক্ষিণ ইসরাইলের মিফতাহিম এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। এছাড়াও শুক্রবার রাতের অভিযানে আল কাসাম যোদ্ধারা আল জাইতুন মহল্লায় মেরকাভা ট্যাংক এবং দখল করা ঘরবাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ও বিস্ফোরক ব্যবহার করেছে।
আরও
প্রতিরোধ বাহিনী দাবি করেছে, এসব হামলায় বহু ইসরাইলি সেনা হতাহত হয়েছে, বিশেষ করে যেখানে তারা সাধারণ মানুষের ঘরে আশ্রয় নিয়েছিল। যদিও ইসরাইলি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য দেয়নি, স্থানীয় সূত্র ও ভিডিওর মাধ্যমে তাদের ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।
ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ শিবিরের মতে, এই অভিযান শুধু আক্রমণ নয়, বরং একটি বার্তা—গাজার জনগণ ও প্রতিরোধ বাহিনী এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। প্রতিটি বিস্ফোরণ ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত গাজাকে টিকিয়ে রাখার ও দখলদার সেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার প্রতীক।









