ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি গণহত্যার প্রতিশোধ নিতে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি ইসরাইলের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালাচ্ছে। এই আক্রমণে শুধু স্থলেই নয়, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ লোহিত সাগরেও ইসরাইলগামী জাহাজগুলো বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, যা দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দিচ্ছে।
হুথিদের হামলায় ইসরাইলের একমাত্র সমুদ্রবন্দর ইলাত সম্পূর্ণভাবে অচল হয়ে পড়েছে। এতদিন এই বন্দর দিয়েই পণ্য আমদানি-রপ্তানি করত ইসরাইল, যা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটির বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সাম্প্রতিক হামলায় তারা তেল আবিবের বেনগুরিয়ন বিমানবন্দর, বীরসেবা ও আশকালনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ড্রোন আক্রমণ চালায়। হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারী ঘোষণা দেন, গাজায় গণহত্যা ও অবরোধের জবাব না দেওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
শুধু স্থল নয়, সমুদ্রপথেও ইসরাইলি অর্থনীতিতে আঘাত হানছে হুথিরা। লোহিত সাগরে ইসরাইলগামী জাহাজে একের পর এক হামলা চালিয়ে তারা বিদেশি সংস্থাগুলোকে সতর্ক করেছে যে, ইসরাইলমুখী যেকোনো জাহাজই তাদের হামলার লক্ষ্য হবে। সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি।
আরও
গত ৬ জুলাই লোহিত সাগরে “ম্যাজিক সিস্টেম” নামের একটি কার্গো জাহাজ ড্রোন রকেট হামলায় ডুবিয়ে দেয় হুথিরা। কয়েকদিন পর “ইটারনিটি সি” নামের লিবিয়ার পতাকাবাহী আরেকটি জাহাজ একইভাবে আক্রমণের শিকার হয়। এই হামলায় কয়েকজন নাবিক নিহত হন এবং জীবিতদের অপহরণ করে ইয়েমেনে নিয়ে যাওয়া হয়।
ধারাবাহিক হামলায় ইসরাইলের নিরাপত্তা ও অর্থনীতি দুটোই এখন তীব্র চাপে পড়েছে। গাজায় আগ্রাসন বন্ধ না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাবে বলে আশঙ্কা করছে পর্যবেক্ষকরা।









