কুয়েতে এটিএম জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এক বাংলাদেশি যুবক ও তার দুই পাকিস্তানি সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশি যুবকের নাম রাজু, যিনি পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।
রাজু কুয়েতের আল-জাজিরা ইন্টারন্যাশনাল জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তার দুই পাকিস্তানি সহযোগী কাজ করতেন মির্জা জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানিতে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির সহায়তায় রাজুকে কুয়েতের বাংলাদেশি অধ্যুষিত জিলিব আল-শুয়েখ এলাকা থেকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় রাজুর কাছ থেকে পাঁচ হাজার কুয়েতি দিনার, একাধিক ব্যাংক কার্ড, বিভিন্ন দেশের অর্থ স্থানান্তরে ব্যবহৃত সিমকার্ড ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এছাড়াও উদ্ধার করা হয় মানি এক্সচেঞ্জ থেকে অর্থ পাঠানোর বেশ কিছু স্লিপ, যা অবৈধ লেনদেনের প্রমাণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
আরও
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, এই চক্রটি এটিএম বুথে কার্ডবিহীন পদ্ধতিতে জালিয়াতি করে কুয়েতি নাগরিক ও প্রবাসীদের অর্থ হাতিয়ে নিত। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করেন।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই প্রতারক চক্রটির সঙ্গে পাকিস্তান-ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক অপরাধী সিন্ডিকেটের যোগাযোগ রয়েছে। এ সিন্ডিকেট ধ্বংসে কুয়েত এখন আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে।











